গত ২৩ সেপ্টেম্বর ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে বরণ করতে হাজির ছিলেন ট্রাম্প-মেলানিয়া। তাঁকে দেওয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা। বৈঠকের রাতেই হোয়াইট হাউসে সি চিন পিংয়ের জন্য জাঁকজমকপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেন ট্রাম্প। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইলন মাস্ক, টিম কুক, জেনসেন হুয়াং, স্যাম অল্টম্যানসহ প্রযুক্তিজগতের বাঘা বাঘা ব্যক্তিত্বরা। আর নৈশভোজের সময় হোয়াইট হাউসের বাইরে চলছিল সি চিন পিং-বিরোধী বিক্ষোভ। স্লোগান ছিল ‘আপনাকে স্বাগত নয়’, ‘হংকংকে মুক্ত করো’।
চীনা প্রেসিডেন্টকে কেন এত তোয়াজ করছেন ট্রাম্প?
বিশ্লেষকদের মতে:
- ইরান সংকট ও জ্বালানি নিরাপত্তা
- বিরল খনিজ সরবরাহে আমেরিকার চীননির্ভরতা
- মার্কিন মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবর্তী নির্বাচনের চাপ
- এআইয়ের ঝুঁকিমুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা
- ব্যক্তিগত কূটনৈতিক প্রচার ও প্রদর্শনকামিতা
চীনা প্রেসিডেন্টের আমেরিকা সফর থেকে কী অর্জন করলেন ট্রাম্প?
- বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি
- ইরান ইস্যুতে রাজনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তার আশ্বাস
- এআই-সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি সংকট, ঝুঁকি দ্রুত সমাধানে বিশেষ দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চ্যানেল
- পান্ডা কূটনীতি
- ফেন্টানিল মাদক রোধে সমঝোতা
- সফল ‘ডিল মেকার’ হিসেবে বিশ্বশান্তি ও অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণকারী শক্তিশালী কূটনৈতিক নেতা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনের সুযোগ
আমেরিকা সফর করে কী পেল চীন?
- বৈশ্বিক পরাশক্তি হিসেবে সমকক্ষতার স্বীকৃতি
- অর্থনৈতিক স্বস্তি ও শুল্কচাপ এড়ানো
- আমেরিকান টেক জায়ান্টদের বাজার সুসংহত করা
- কৌশলগত বার্তা ও সার্বভৌমত্বের অবস্থান
- তাইওয়ানের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন অস্ত্র প্যাকেজ স্থগিত রাখা
‘সেন্টার ফর চায়না অ্যানালাইসিস’ বলছে, ‘ট্রাম্প-সি বৈঠক থেকে বড় কোনো অর্জনের খবর না আসা চীনের সাফল্য।’ আর দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই বৈঠকে ডিপ্লোটেইনমেন্ট বা নীতিগত অগ্রগতির চেয়ে জাঁকজমক ও বিনোদনমূলক আবহই বেশি।
- 0
- 0
- 0
- 0
